নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী অপরাধ দমনে কেন্দ্র পরিদর্শনে ১১ম্যাজিষ্ট্রেট

মনির হোসেন : নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী অপরাধ দমনে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন ১১ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট। পরিদর্শনকালে ম্যাজিষ্ট্রেটগন বলেন,কেউ নির্বাচনী অপরাধে জড়ালে দেশের প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। তাই এ ব্যাপারে সকলকে সজাগ থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করার আহবান জানান তারা।

শনিবার (৬ জানুয়ারী) দ্বিতীয় দিনেও সকাল থেকে নারায়ণগঞ্জের ৫টি নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটগন। নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ বদিউজ্জামান নির্বাচনী এলাকা নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) এর সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পশ্চিমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়,বাতেনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,মিজমিজি পাইনাদী ফাযিল ডিগ্রী মাদ্রাসা,মিজমিজি পাইনাদী রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয়,পূর্ব জালকুড়ি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়,হিরাঝিল আইডিয়াল হাই স্কুল,কদমতলী এম ডব্লিউ উচ্চ বিদ্যালয়,সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং ফজলুল হক মডেল হাই স্কুলসহ বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন এবং কেন্দ্রের খোজ খবর নিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নুসরাত সাহারা বিথী একই আসনের বক্তাবলী ইউনিয়ন,গোপাল নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,লক্ষীনগর,রাজাপুর,গঙ্গানগর,এনায়েত নগর ইউনিয়ন,হরিহর পাড়া,ধর্মগঞ্জ ও সোনারবাংলা সংসদসহ বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কাউছার আলম ও শামসাদ বেগম নির্বাচনী এলাকা নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) এর কাঞ্চন পৌরসভা,দাউদপুর,কায়েতপাড়া,ভোলাবো ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

এছাড়া নির্বাচনী এলাকা নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ শামছুর রহমান ও মোঃ নূর মহসিন, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শাফিয়া শারমিন ও কাজী মোহাম্মদ মোহসেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ (বন্দর ও নারায়ণগঞ্জ সদর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সানজিদা সরওয়ার,নারায়ণগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মুক্তা মন্ডল ও বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট,ঢাকা সাইফুল ইসলাম শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ বদিউজ্জামান বলেন,নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত ব্যাক্তি বা ভোটারকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন বা সহিংস কাজ করা, কোন নির্দিষ্ট ভোটারকে ভোট না দিতে প্ররোচিত করা,একই কেন্দ্রে একাধিক বা একাধিক ভোট কেন্দ্রে ভোট দেয়া,ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের কর্তব্য পালনে হস্তক্ষেপ করা,ভোট কেন্দ্র হতে ব্যালট পেপার বাহির করা,কোন ব্যালট বাক্স বা ব্যালট পেপারের প্যাকেট নষ্ট করা বা নিয়ে যাওয়া,ঘুষ,ছদ্মবেশ ধারন বা অন্যায় প্রভাব বিস্তার করাসহ এসব নির্বাচনী অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আসতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *