উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
কদমতলী থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফাইজুল হোসেন মূলত ৫৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আকাশ কুমার ভোমিক এর জন্য রাজনীতি করতেন। ফাইজুল হোসেন দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় তার উপর ইসলামিক দলের নেতাকর্মীরা সবসময় এক ধরনের আক্রোশ নিয়ে থাকতো। তার আপন চাচা অন্য রাজনৈতিক দলের সমর্থক। তার চাচা ভিন্ন রাজনীতির আদর্শে হওয়ায় তার সাথে দন্দ্ব বাড়তে থাকে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফাইজুল হোসেন ২০২৩ সালের আগস্টে দেশ ছেড়েছেন। এলাকাবাসী জানান, যাওয়ার আগে তার উপর ইসলামিক রাজনৈতিক দলের লোকজন হামলা চালিয়ে পায়ের রগ কেটে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ভাগ্যক্রমে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় জানে বেঁচে ফিরে ফাইজুল। তার কিছুদিন পর তিনি লন্ডনে পাড়ি জমান। ফাইজুল হোসেনের পরিবার বিষয়টা অস্বীকার করলেও ধারনা করা হয় তার চাচা এই আক্রমনের সাথে জড়িত ছিল। এ বিষয়ে তার চাচাকে প্রশ্ন করলে তার চাচা বলেন, যখন থেকে ফাইজুল হোসেন ভিন্ন মতের রাজনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলো সেদিন থেকেই সে তাকে তার পরিবারের লোক হিসেবে অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু তাকে মারধর করার মত কোন কাজে আমি বা আমার পরিবারের কেউ দায়ি নয়।
এলাকাবাসী থেকে জানা যায়, ফাইজুল কদমতলী এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। অনেকের ধারণা তাদের পারিবারিক মামলা মোকদ্দমা থাকায় তিনি দেশত্যাগ করেছিলেন। যার আসল কারণ এখনো সবার অজানা। এলাকাবাসী ও তার পরিবার সূত্রে আরও জানা যায়, তিনি দেশে থাকলে হয়ত তার ওপর আরও আক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কারন ফাইজুল দেশ ত্যাগের পরও ও তার বাড়ি ভাংচুর ও হামলার শিকার হয়।