উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুবাই প্রবাসীর পৈতৃক সম্পত্তি জোর পুর্বক দখল, প্রবাসী ও তার পরিবারের লোকজনকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানদের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামে।
ভুক্তভোগী দুবাই প্রবাসী আলমগীর হোসেন কর্তৃক থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগ ও তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, বিবাদী রহিমা বেগম প্রবাসী আলমগীরের মৃত মেঝ ভাইয়ের স্ত্রী।
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মুন্সিরহাট ইউনিয়নের হাড়িমুড়া মৌজার অন্তর্ভুক্ত ১১৫ খতিয়ান, ৩৭৭ ও ৩৭৮ দাগে ৩২ শতক ভূমি আলমগীর এর পিতা নুর আহাম্মদ মারা যাওয়ার পর ২ ভাই ও ১ বোন পৈতৃক ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হইয়া ভোগ দখলে থাকা অবস্থায় রহিমা বেগম ও তার সন্তানেরা বাগ-বাটোয়ারা ছাড়াই আলমগীরের অনুপস্থিতিতে তফসিলে বর্ণিত সম্পত্তির সামনের অংশের ১০ শতক জায়গার চতুর্দিকে জোর পূর্বক পাকা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে। আলমগীর প্রবাসে থাকাকালীন বিবাদী রহিমা বেগমকে মোবাইল ফোনে কোনও ধরণের ভাগ-বন্টন ছাড়া পাকা প্রাচীর কেন করেছে জানতে চাইলে, সম্পত্তির বন্টন দলিল করার সময় তাকে এবং অপরাপর ওয়ারিশদের অন্য জায়গা দিয়ে বুঝাইয়া দিবে মর্মে মৌখিক আশ্বাস প্রদান করেন। এর কিছুদিন পর আলমগীর প্রবাস থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ীতে এসে গত ২০/০৮/২০২৬ইং তারিখ সকাল অনুমান ১০ টার দিকে রহিমা বেগমকে তার এবং অপরাপর ওয়ারিশদের পৈকৃত সম্পত্তির হিস্যা বুঝাইয়া দেওয়ার জন্য বললে, কোনও জায়গা পাবেনা বলিয়া জানাইলে প্রবাসী আলমগীর ঘটনাটি সামাজিকভাবে মিমাংসার চেষ্টা করিয়া ব্যর্থ হইয়া চৌদ্দগ্রাম থানায় রহিমা বেগমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে, অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে আজকাল আসবে বলে সময়ক্ষেপণ করিয়া রহিমা বেগম মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সৃজন করিয়া প্রবাসী আলমগীর ও স্ত্রী সহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনকে বিবাদী করিয়া কুমিল্লার আদালতে গত ০৯/০৯/২৬ ইং তারিখে ৭৯৩/২৬, সিআর মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৪ সেপ্টেম্বর-২৬ তারিখে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার (ডিবি) কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য বললে, আমরা সকল কাগজপত্র সেখানে উপস্থাপন করেছি কিন্তু বাদী রহিমা বেগম কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। সে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানী করছে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী রহিমা বেগম জানান, তিনি কোনও ধরণের মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মামলা দায়ের করেননি। মামলার অভিযোগে যা কিছু উল্লেখ করেছেন সব সত্যি। বিবাদী পক্ষ যা বলছে সব মিথ্যে। আমি তাদেরকে হয়রানী করতে যাবো কেন। ওরা আমার দেবর ও ঝা হয়।
মামলার তদন্তারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লা' র সাব-ইন্সপেক্টর (নি:) মো: আব্দুল আলী জানান, বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে বলেছি।